
শনিবার, ১৭ এপ্রিল, ২০১০
দৌলতপুরে জবাই করা লাশ

রবিবার, ১১ এপ্রিল, ২০১০
শীর্ষ চরমপন্থী শাহিন ভারতে গ্রেফতার...!

কে এই শাহিন :বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে, শাহিনের গ্রামের বাড়ি ঝিনাইদহ জেলার শৈলকুপা থানা কৃত্তিনগর গ্রামে। তার পিতা কুষ্টিয়া পশু হাসপাতালে চাকুরী করতেন। এই সুবাদে কুষ্টিয়ার শহরের কালিশংকরপুর জামতলা মোড়ে নিজেরা বাড়ি তৈরী করে স্থায়ীভাবে বসবাস শুরু করে শাহিনের পরিবার। এসএসসি পাশ করার পর শাহিন ভর্তি হয় যশোর পলিটেকনিক্যাল ইন্সটিটিউটে। একবছর পর সেখান থেকে বদলী হয়ে আসে কুষ্টিয়া পলিটেকনিক ইন্সটিটিউটে। পাওয়ার বিভাগের ছাত্র শাহিন ১৯৯৮ সালে কুষ্টিয়া পলিটেকনিক ইন্সটিটিউটের ছাত্র সংসদের নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে ভিপি নির্বাচন করেন। অল্প ভোটের ব্যবধানে পারাজিত হন শাহিন। স্থানীয় সামাজিক দ্বন্দ্ব, তার পরিবারের সদস্যদের ওপর এলাকার সন্ত্রাসীদের নির্মম অত্যাচার শুরু হয়, শাহিনের মায়ের ওপর সন্ত্রাসীদের হামলা, তার বাড়ি ঘর লুটপাটের ঘটনার প্রতিশোধ নিতে ছাত্র থেকে রাতারাতি শীর্ষ সন্ত্রাসী হয়ে ওঠে শাহিন। এলাকায় গড়ে তোলে বিশাল এক সন্ত্রাসী বাহিনী। একদিকে নসু-শাহিন বাহিনী অপরদিকে সিরাজ বাহিনী। এই দুই বাহিনীর কোন্দলে একের পর এক খুনের ঘটনা ঘটতে হতে থাকে কালিশংকপুর এলাকায়। অল্প দিনের মধ্যে অপরাধ জগতের মুকুটহীন সম্রাট বনে যায় শাহিন। ১৯৯৯ সালে কুষ্টিয়া ষ্টেডিয়ামে তৎকালীন স্বরাষ্টমন্ত্রী নাসিমের কাছে অস্ত্র জমা দিয়ে আত্মসমর্পন করে শাহিন। এরই মধ্যে খুন হয় নসু। নসু খুনের প্রতিশোধ নিতে আবারও মরিয়া হয়ে ওঠে শাহিন রুমী। তাত্ত্বিক কমিউনিষ্ট নেতা মীর ইলিয়াস হোসেন দিলীপের হাত ধরে শাহিন যোগ দেয় শ্রমজীবী মুক্তি আন্দোলনে। কিছুদিনের মধ্যে সামরিক শাখার প্রধান বনে যায়। কালিশংকরপুরের আক্তার, আড়–য়াপাড়ার আল হেলাল মদন, হরিশংকরপুরের রফিক, ভাটা পাড়ার হেরোইন সম্রাজ্ঞী আলেয়া, ঠিকাদার নান্নু, ফয়েজ, জামু, হাবিব, সন্ত্রাসী মানু, সুলতান ,কালিশংকরপুরের শফি, জাসদ নেতা জামাই বাবুসহ প্রায় অর্ধশতাধিক মানুষ খুন হয়েছে শাহিনের নেতৃত্বাধীন গণমুক্তিফৌজ ক্যাডারদের হাতে। অপরাধের তুলনায় শীর্ষ এই চরমপন্থী নেতা নামে মামলার সংখ্যা অনেক কম বলে পুলিশ জানিয়েছে। জামাত বিএনপি জোট সরকারের মাঝামাঝি সময় থেকে এ পর্যন্ত ক্রসফায়ারে শাহিনের প্রায় আাড়াইশ ক্যাডার নিহত হয়েছে। ক্রসফায়ার চালু হলে শাহিন অবস্থা বেগতিক দেখে ভারতে পাড়ি জমায়। সেখান থেকেই তিনি নিয়ন্ত্রন করতেন দক্ষিণ পশ্চিমাঞ্চলের আন্ডার্রওয়াল্ড। টেন্ডারবাজিকে তিনি একমাত্র অর্থ উপার্জন মাধ্যম হিসেবে গ্রহন করেন। কুষ্টিয়া ঝিনাইদহ জেলার সকল সরকারী দপ্তরের টেন্ডার গণমুক্তিফৌজের নিয়ন্ত্রনে। সম্প্রতি গণমুক্তিফৌজের প্রধান আমিনুল ইসলাম মুকুল ভারতে গ্রেফতার হন। বর্তমানে তিনি ভারতের কারাগারে রয়েছেন। মুকুল গ্রেফতারের পর থেকে শাহিন নদীয়া জেলার ওই গ্রামে বসবাস করতো বলে জানা গেছে। এর আগেও গত বছর শাহিনকে ভারতে পশ্চিমবঙ্গের বনগ্রাম থানা পুলিশ গ্রেফতার করে। অল্পদিনের মধ্যে তিনি সেখান থেকে জামিনে বেরিয়ে যান।
কুষ্টিয়ায় পুলিশের ক্রসফায়ারে একজন নিহত....
শনিবার রাত সাড়ে ১১টায় কুষ্টিয়া সদর উপজেলার আলামপুর ইউনিয়নের দরবেশপুর গ্রামের পেঁপে ও কলা বাগানে নিহত হয় চরমপন্থি আলমগীর মন্ডল (৩০)। পুলিশের সাথে বন্দুকযুদ্ধের সময় সে গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত হয়েছে বলে পুলিশের দাবি। পুলিশ আরো জানায়, নিহত আলমগীর নিষিদ্ধ ঘোষিত শীর্ষ চরমপন্থী সংগঠন গণ মুক্তিফৌজের দুর্ধর্ষ কিলার। তারা সেখান থেকে একটি বন্দুক, ৫টি ককটেল বোমা, ৫ রাউন্ড বন্দুকের গুলি, ৪ গুলির খালি খোসা ও বেশ কয়েকটি দেশীয় ধারালো অস্ত্র উদ্ধার করেছে।পুলিশ বক্তব্য....শনিবার রাত ১১ টায় তারা গোপন সংবাদ পায় শীর্ষ চরমপন্থী সংগঠন গণমুক্তিফৌজের দূর্ধষ কিলার (শুটার) আলমগীর মন্ডল তার সহযোগিদের নিয়ে বড় ধরনের নাশকতা সৃষ্টির লক্ষে দরবেশপুর গ্রামের বাগানে বৈঠক করছে। এ সংবাদের ভিত্তিতে তাৎক্ষনিকভাবে কুষ্টিয়া সদর থানা ও স্থানীয় ক্যাম্প পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে অভিযান চালায়। পুলিশ সদস্যরা সেখানে পৌছে ঘটনাস্থলের চারিদিক ঘিরে ফেলে। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে চরমপন্থীরা পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলি করে। পুলিশও পাল্টা গুলি চালায়।
শুরু হয় বন্দুকযুদ্ধ। ২০ মিনিটের এ বন্দুকযুদ্ধে ক্রসফায়ারে পড়ে চরমপন্থী আলমগীর মন্ডল ঘটনাস্থলেই মারা যায়। অপর সন্ত্রাসীরা পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়। ঘটনাস্থল থেকে একটি বন্দুক, ৫ টি ককটেল বোমা, ৫ রাউন্ড বন্দুকের গুলি, ৪ গুলির খালি খোসা, ও দেশীয় ধারালো অস্ত্র একটি রাম দা, চাইনিজ কুড়াল ও ছোরা উদ্ধার করে পুলিশ। নিহত আলমগীর কুষ্টিয়া সদর উপজেলার বটতৈল মিলপাড়ার মৃত হাসান মন্ডলের ছেলে। তার বিরুদ্ধে কুষ্টিয়া সদর থানায় ৪টি হত্যা ও একটি ডাকাতি, বিষ্ফোরক এবং চাঁদাবাজিসহ ৭টির অধীক মামলা রয়েছে বলেও পুলিশ জানায়। বুধবার, ৭ এপ্রিল, ২০১০
কুষ্টিয়ায় ক্রসফায়ারে গণবাহিনীর প্রধান মান্দার নিহত
গণবাহিনীর প্রধান শীর্ষ চরমপন্থি আশরাফুল ইসলাম ওরফে মান্দার (৪০)কুষ্টিয়ায় নিহত হয়েছে। র্যাব জানিয়েছে তাদের সাথে বন্দুকযুদ্ধের সময় সে নিহত হয়েছে। এ সময় সেখান থেকে একটি পয়েন্ট টুটু বোর রাইফেল, একটি দেশী তৈরী এলজি, ৪টি হাত বোমা, ১২ রাউন্ড গুলি ও বেশ কয়েকটি দেশীয় ধারালো অস্ত্র উদ্ধার করার কথা জানিয়েছে র্যাব।র্যাব বক্তব্য এমন...বুধবার সন্ধ্যা ৭টার দিকে কুষ্টিয়া সদর উপজেলার ইবি থানাধীন ঝাউদিয়া ইউনিয়নের মধ্য খোর্দ্দ বাখইল গ্রামে একটি মাঠে চরমপন্থী সংগঠন গণবাহিনীর বর্তমান প্রধান মান্দার তার সহযোগিদের নিয়ে বড় ধরনের অপরাধ সংগঠিত করার জন্য বৈঠক করছিল। এমন সংবাদে র্যাব-১২ কুষ্টিয়া ইউনিটের একটি দল ঘটনাস্থলে অভিযান চালায়। র্যাব সদস্যরা সেখানে পৌছে ঘটনাস্থলের চারিদিক ঘিরে ফেলে। র্যাবের উপস্থিতি টের পেয়ে এবং অবস্থা বেগতিক ভেবে চরমপন্থীরা প্রথমে বেশ কয়েকটি বোমার বিস্ফোরণ ঘটায়। এ সময় র্যাব সদস্যরা মাটিতে শুয়ে নিজেদের রক্ষা করে। এরপর ঘটনাস্থল থেকে পালাতে চরমপন্থিরা র্যাবকে লক্ষ্য গুলি বর্ষণ শুরু করে। র্যাবও পাল্টা গুলি চালায়। শুরু হয় বন্দুকযুদ্ধ। ২০-২৫ মিনিটের এ বন্দুকযুদ্ধে সন্ত্রাসীরা টিকতে না পেরে সেখান থেকে পালিয়ে যায়। গুলি বিনিময় থেমে যাওয়ার পর র্যাব সদস্যরা স্থানীয়দের সহযোগিতায় ঘটনাস্থলে ব্যাপক তল্লাশী চালায়। এ সময় সেখানে একজন গুলিবিদ্ধ লাশ পরে থাকতে দেখা যায়, যা স্থানীয়রা গণবাহিনীর প্রধান চরমপন্থী মান্দার বলে সনাক্ত করে বলে ।
সেখান থেকে র্যাব সদস্যরা চরমপন্থীদের ফেলে যাওয়া একটি পয়েন্ট টুটু বোর রাইফেল, একটি দেশী তৈরী এলজি, ৪টি হাত বোমা, ১২ রাউন্ড গুলি ও বেশ কয়েকটি দেশীয় ধারালো অস্ত্র উদ্ধার করে বলে দাবি করে। র্যাব-১২ কুষ্টিয়ার মেজর জাকির হোসেন জানান, নিহত চরমপন্থী মান্দার বাখইল গ্রামের আফজাল মন্ডলের ছেলে। তার বিরুদ্ধে ইবি থানায় ৪টি হত্যাসহ মোট ৭টি মামলা ও ১১টি জিডি রয়েছে। মান্দার তার চাচা জাসদ গণবাহিনীর প্রধান আজিবর চেয়ারম্যান ভারতে নিহত হওয়ার পর দলের প্রধানের দায়িত্ব পালন করে আসছিল। শারিরীক গড়নে শক্তিশালী মান্দার ওপারেশন ক্লিনহার্টের সময় সেনাবাহিনীর সাথে কাদার মধ্যে লড়াই করে পালিয়ে গিয়েছিল।
মিরপুরে দু’দল গ্রামবাসীর সংঘর্ষে একজন নিহত
কুষ্টিয়ার মিরপুর উপজেলার ছাতিয়ান ইউনিয়নের আটিগ্রামে দু’দল গ্রামবাসীর মধ্যে সংঘর্ষে একজন নিহত হয়েছে। আহত হয়েছে আরো ৪ জন। নিহতের নাম আসাদুল ইসলাম (৩৫)। গ্রামবাসীর নিকট থেকে শোনা তথ্যমতে, মঙ্গলবার সন্ধ্যায় আটিগ্রামে একটি মেয়েকে কেন্দ্র করে তর্কে লিপ্ত সাইদুল-রহিম গ্রুপ ও আসাদুল গ্রুপ। পরে সাইদুল-রহিম গ্রুপ ধারালো অস্ত্র ও লাঠি নিয়ে আসাদুলের পরিবারের সদস্যদের উপর হামলা করে। এসময় আসাদুল ও তার দুই ভাই মুসা, কালু এবং ভাতিজা রাকিবুলসহ ৫ জন আহত হয়। এদেরকে ভর্তি করা হয় কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে। বুধবার সকাল সাড়ে ১০ টায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় আসাদুলের মৃত্যু হয়। মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ছে তার ভাই মুসা ও কালু। এদিকে, আসাদুলের মৃত্যুর পর এলাকায় চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে। এলাকাবাসী জানায়, যে কোন সময় আবারও ভয়াবহ সংর্ঘষ হতে পারে।
রবিবার, ২১ মার্চ, ২০১০
কুষ্টিয়ায় বন্দুকযুদ্ধে একজন নিহত: পুলিশ বলছে গণমুক্তিফৌজের কমান্ডার
কুষ্টিয়ায় কুমারখালী উপজেলার বাঁধবাজার কবুরহাট গ্রামে একজন নিহত হয়েছেন। পুলিশ বলছে নিহত ব্যাক্তি আব্দুল খালেক ওরফে ঝরু নিষিদ্ধ ঘোষিত চরমপন্থী সংগঠন গণমুক্তিফৌজের আঞ্চলিক কমান্ডার। পুলিশ জানিয়েছে, শনিবার রাত আড়াইটার দিকে তাদের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধের সময় সে নিহত হয়। পুলিশের ভাষ্য...কুমারখালী উপজেলার বাঁধবাজার কবুরহাট গ্রামে একদল চরমপন্থী গোপন বৈঠক করছিল। খবর পেয়ে পুলিশ সেখানে অভিযান চালায়। শুরু হয় দু’পক্ষের মধ্যে বন্দুক যুদ্ধ। নিহত হয় আব্দুল খালেক ওরফে ঝরু। পুলিশ ওই এলাকা থেকে একটি দেশী বন্দুক, ৫ রাউন্ড গুলি, ৪টি গুলির খোসা ও একটি তলোয়ার উদ্ধার করেছে বলে দাবি করেছে। ঝরুর নামে ৩টি হত্যাসহ ৭টি মামলা রয়েছে বলেও জানিয়েছে পুলিশ। সোমবার, ১৫ মার্চ, ২০১০
কুষ্টিয়ায় শর্টগান উদ্ধার
কুষ্টিয়ার ভোটার বেড়েছে ৫১ হাজার ৯৪১
দৌলতপুরে কলেজ শিক্ষকের বিরুদ্ধে ছাত্রীকে যৌন নিপীড়নের অভিযোগ
বিশেষ প্রতিনিধি, দৌলতপুর
দৌলতপুরের ড. মুহাম্মদ গার্লস কলেজের এইচএসসি পরীক্ষার্থী এক ছাত্রীর উপর যৌন নিপীড়নের অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনার প্রতিবাদে বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা শনি ও রোববার ক্লাস বর্জন করে কলেজে বিক্ষোভ করেছে। তার নিপীড়নকারি হিসেবে অভিযুক্ত শিক্ষকের অপসারন দাবি করেছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার বিকেলে বাগোয়ানস্থ ড. মুহাম্মদ ফজলুল হক গার্লস কলেজের ইসলামের ইতিহাস বিভাগের জনৈক শিক্ষক পরীক্ষার সাজেশন দেওয়ার নামে ওই কলেজের এইচএসসি পরীক্ষার্থী জনৈক ছাত্রীকে কলেজের প্রাণীবিদ্যা বিভাগের বিজ্ঞানাগারে নিয়ে যায়। এ সময় শিক্ষক কক্ষের দরজা আটকে জোরপূর্বক ওই ছাত্রীকে জড়িয়ে ধরে চুম্বনসহ শরীরের হাত দেয়। ওই ছাত্রী চিৎকার শুরু করলে কলেজের শিক্ষিকা হাবিবা খাতুন ও শিক্ষার্র্থীরা ছুটে গিয়ে ধস্তাধস্তির দৃশ্য দেখে কলেজ কর্তৃপক্ষকে খবর দেয়। কর্তৃপক্ষ তাঁকে উদ্ধার করে বাড়িতে পৌছে দেয়। এ খবর কলেজের সকল ছাত্রীদের মাঝে ছড়িয়ে পড়লে শনি ও রোববার তাঁরা ক্লাস বর্জন বিক্ষোভ করে অভিযুক্ত শিক্ষকের অপসারনসহ দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করে। ঘটনার পর ওই শিক্ষক গাঁ ঢাকা দিয়েছেন বলে জানা গেছে। এ বিষয়ে কলেজ অধ্যক্ষ নাসরিন আক্তারের সাথে যোগাযোগ করা হলে ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে তিনি বলেন, এ বিষয়ে তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। তদন্ত প্রতিবেদন হাতে পেলে ওই শিক্ষকের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
